পোলট্রি শিল্পে আরো ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চায় প্রাণ

দেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান প্রাণ গ্রুপ পোলট্রি খাতে আরো বড় বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে।

দেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান প্রাণ গ্রুপ পোলট্রি খাতে আরো বড় বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে। বাজারে ক্রমবর্ধমান ডিম ও মুরগির মাংসের চাহিদার প্রেক্ষাপটে সম্ভাবনাময় এ খাতে ২০২৭ সালের মধ্যে আরো ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের লক্ষ্যে কাজ করছে শিল্প গ্রুপটি।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে ২০২০ সালে মাথাপিছু বার্ষিক ডিমের ব্যবহার ছিল ১০৪টি। বর্তমানে মাথপিছু ডিমের ব্যবহার প্রায় ১৩৫টি। ২০৩০ সালে এটি বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ১৬০টি। এছাড়া প্রক্রিয়াজাত খাদ্য শিল্পে ডিমের ব্যবহার আগের তুলনায় বেশ বেড়েছে। এ কারণে এ খাতের বাজার ক্রমেই বড় হচ্ছে। তাই ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে সামনে রেখে ডিমের বাজারে হিস্যা বাড়াতে কাজ করছে প্রাণ গ্রুপ।

প্রাণের নির্বাহী পরিচালক নাসের আহমেদ বলেন, আমরাই প্রথম ইউরোপিয়ান প্রযুক্তির সম্পূর্ণ অটোমেটেড ‘এনভায়রনমেন্টাল কন্ট্রোল হাউজ’ প্রযুক্তির ডিমের কারখানা স্থাপন করেছি। আগামীতে যে কারখানাগুলো হবে সেগুলোও সম্পূর্ণ অটোমেটেড ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত। পণ্য পরিবহনের আগ পর্যন্ত হাতের কোনো স্পর্শ নেই। নেই কোনো অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার। ব্যবহার করা হচ্ছে মানসমৃদ্ধ খাবার। এর ফলে সহজেই সর্বোচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ ডিম উৎপাদন করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল বলেন, ‘আমরা আরো চারটি সর্বাধুনিক লেয়ার ফার্ম তৈরির জন্য বিনিয়োগ করতে যাচ্ছি। ২০২৭ সালের মধ্যে এসব কারখানা চালু হলে প্রতিদিন আরো ২০ লাখ পিস ডিম উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে প্রাণের চিফ অপারেটিং অফিসার (লাইভস্টক) মামুনুর রশিদ বলেন, ‘আমরা ব্রয়লার মুরগি লালন-পালনের জন্য একটি বড় খামার গড়ে তুলব। পাশাপাশি বাচ্চা উৎপাদনের জন্য একটি অত্যাধুনিক মানের ব্রিডার ফার্ম গড়ে তুলতে কাজ শুরু করেছি।’—বিজ্ঞপ্তি

আরও